মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে বিশালপুর

অত্র ইউনিয়ন পরিষদ ১৮৭০ সালে স্থাপিত হয়।

ইউনিয়নের অবস্থানঃ

শেরপুর উপজেলা শহর হতে ১৫ কি: মি: দক্ষিণ পশ্চিম দিকে বিশালপুর ইউনিয়ন অবস্থিত।

ইউনিয়নের সীমানাঃ

ইউনিয়নের পশ্চিমে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানা, দক্ষিণ পশ্চিমে নাটোর জেলার সিংড়া, দক্ষিণে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ, পূর্ব দক্ষিণে শেরপুর থানার ভবানীপুর ইউনিয়ন, উত্তর পূর্বে শেরপুর থানার মির্জাপুর ইউনিয়ন এবং উত্তর পশ্চিমে শেরপুর থানার কুসুম্বি ইউনিয়ন অবস্থিত।

আয়তনঃ

ইউনিয়নের আয়তন প্রায় ৫৪.৩৪ বর্গ কিলোমিটার।

মৌজা ও গ্রামঃ

          মৌজা ৩৮টি, গ্রাম ৫৩টি ।

জনসংখ্যাঃ

ইউনিয়নের জনসংখ্যা প্রায় ২৯,৬২১ জন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ

          উচ্চ বিদ্যালয় ৬টি, বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৮টি, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯টি, দাখিল মাদ্রাসা ১টি।

বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহঃ

ক্রমিক নং

বিদ্যালয়ের নাম

অবস্থান

দোয়ালসাড়া বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

দোয়ালসাড়া

জামাইল বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

জামাইল

শিমলা বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

শিমলা

শ্যামনগর বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

শ্যামনগর

বিরাকৈর বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিরাকৈর

সিরাজনগর বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

সিরাজনগর

পাঁচদেউলী বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

পাঁচদেউলী

উদগ্রাম বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

উদ্রগাম

 

 

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহঃ

ক্রমিক নং

বিদ্যালয়ের নাম

অবস্থান

তেঁতুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 তেঁতুলিয়া

পানিসাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

পানিসাড়া

দক্ষিণ পেঁচুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

 দক্ষিণ পেঁচুল

কচুয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

কচুয়াপাড়া

ঘোলঘোড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

 ঘোলঘোরিয়া

কহিতকুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

কহিতকুল

বিশালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিশালপুর

করিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

করিমপুর

বেওড়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

 বেওড়াপাড়া

 

 

 

 

উচ্চ বিদ্যালয় সমূহঃ

ক্রমিক নং

বিদ্যালয়ের নাম

অবস্থান

দোয়ালসাড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

দোয়ালসাড়া

দক্ষিণ পেঁচুল উচ্চ বিদ্যালয়

দক্ষিণ পেঁচুল

কচুয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়

কচুয়াপাড়া

বিশালপুর উচ্চ বিদ্যালয়

বিশালপুর

বিরাকৈর উচ্চ বিদ্যালয়

বিরাকৈর

পাঁচদেউলী পলাশ মেমোরিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়

পাঁচদেউলী

 

 

দাখিল মাদ্রাসাঃ

ক্রমিক নং

বিদ্যালয়ের নাম

অবস্থান

শাহানগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা

শাহানগর

সরকারের বিশেষ কর্মসূচীঃ
সরকারের বিশেষ কর্মসূচীর আওতায় এই ইউনিয়নের ভিজিডি সংখ্যা ১৭৩ জন, বয়স্ক ভাতা ৫০০ জন, বিধবা ভাতা ২৩২ জন, প্রতিবন্ধি ভাতা ৫৫ জন, মাতৃত্বজণিত ভাতা ২১ জন।

হাসপাতালঃ

          ইউনিয়নের ১টি হাসপাতাল যাহা পেঁচুলে অবস্থিত।

ডাকঘরঃ

          ইউনিয়নে দুইটি সাব ডাকঘর রয়েছে, যাহার একটি পেঁচুল এবং অপরটি বিশালপুরে অবস্থিত।

পশু পালন অফিসঃ

          ইউনিয়নের একমাত্র পশু পালন অফিস বিশালপুরে অবস্থিত।

ভূমি অফিসঃ

          ইউনিয়নের ভূমি অফিসটি বিশালপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদঃ

          ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়টি অবস্থিত।

শিক্ষার হারঃ

ইউনিয়নে শিক্ষার হার শতকার প্রায় ৪২%।

 যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ

শেরপুর উপজেলা হতে বিশালপুর ইউ/পি’র দুরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। ইউ/পি পর্যমত্ম পাকা রাসত্মা রয়েছে। তাছাড়া মির্জাপুর হতে দোয়ালসাড়া ১১ কিলোমিটার এবং মির্জাপুর হতে রানীর হাট পর্যমত্ম ১২ কিলোমিটার, বামিহালী হতে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যমত্ম ১ কিলোমিটার পাকা রাসত্মা রয়েছে। উল্লেখিত রাসত্মা তিনটি সহ ইউনিয়নের ভিতরে আরও কিছু পাকা রাসত্মাসহ সর্বমোট ৩০ কিলোমিটার পাকা রাসত্মা রয়েছে। বর্তমানে ইউনিয়নের পানিসাড়া হতে মান্দাইল পাকা রাসত্মা পর্যমত্ম ৩ কিলোমিটার, জামাইল হতে শিমলা হয়ে সিরাজনগর রানীর হাট রোড পর্যমত্ম ১১ কিলোমিটার, কহিতকুল চারমাথা হতে কহিতকুল গ্রাম পর্যমত্ম ১.৫ কিলোমিটার, ভায়রা হতে বিশালপুর ইউনিয়ন পরিষদ পর্যমত্ম ৫ কিলোমিটার, হাইস্কুল রোড হইতে গোয়ালবিশ্বা ব্রীজ পর্যমত্ম ৩ কিলোমিটার সর্বমোট ২৩.৫ কিলোমিটার রাসত্মা পাকাকরণ অত্যামত্ম জরুরী।

দর্শনীয় স্থানঃ

রানীরহাট হতে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে রানীভবানী কর্তৃক  নির্মিত সেতু (বর্তমানে অব্যবহৃত)। আনুমানিক ১৭৫০ খ্রীঃ সেতুটি নির্মান করা হয়। কথিত আছে যে, সেতুটি সবার অজামেত্ম এক রাতে নির্মান করা হয়।

হাট-বাজারঃ

ইউনিয়নের সর্বপশ্চিমে দোয়ালসাড়া হাট, মাঝে জামাইল হাট, ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থলে বিশালপুর হাট এবং ইউনিয়নের সর্বদক্ষিণে রানীর হাট সর্বমোট চারটি হাট।

নদ-নদী ও খাল-বিলঃ

ইউনিয়নের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ভদ্রাবতী নদী প্রবাহিত হয়েছে। ইহাছাড়াও কুসুম্বি ইউনিয়ন হতে দক্ষিণ দিকে অত্র ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে একটি খাল প্রবাহিত হয়েছে, যাহা অত্র ইউনিয়নকে সমান দুভাগে পশ্চিম এবং পূর্ব অংশে বিভক্ত করেছে।

 

 

 

 

সাংগাঠনিক কাঠামোঃ

ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যান, তিনজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য, নয়জন সাধারণ ওয়ার্ডের ইউ/পি সদস্য, একজন ইউ/পি সচিব, একজন গ্রাম পুলিশ দফাদার এবং নয় ওয়ার্ডে নয়জন গ্রামপুলিশ মহল্লাদার রয়েছেন। তাছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটি সহ অন্যান্য কমিটির সদস্যবৃন্দও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সহিত জড়িত রয়েছেন।

 

ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ

          স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ৩০, ৩১, ৩২ ও ৩৩ ধারায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলী উল্লেখ রয়েছে। এ কার্যাবলী মূলতঃ পাঁচভাগে বিভক্ত যথাঃ (১) পৌর কার্যাবলী (২) পুলিশ ও নিরাপত্তা (৩) রাজস্ব ও প্রশাসন (৪) উন্নয়ন ও দারিদ্র দূরীকরণ এবং (৫) বিচার।

 

১। পৌর কার্যাবলীঃ

          স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ৩০ ধারায় পৌর কার্যাবলী বর্ণনা করা হয়েছে। পৌর কার্যাবলী ২ ভাগে বিভক্ত- বাধ্যতামূলক এবং ঐচ্ছিক। তবে বাধ্যতামূলক ও ঐচ্ছিক কার্যাবলী ছাড়াও সরকার সকল বা নির্দিষ্ট কোন ইউনিয়ন পরিষদকে পৃথক কোন দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিতে পারে।

          এছাড়া প্রচলিত অন্য কোন আইনের মাধ্যমে সরকার ইউনিয়ন পরিষদকে দায়িত্ব দিতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদকে ১০টি বাধ্যতামূলক এবং ৩৮ টি ঐচ্ছিক দায়িত্বাবলী দেয়া হয়েছে।

বাধ্যতামূলক কার্যাবলীঃ

          ১। আইন-শঙ্খলা রক্ষা করা এবং এ বিষয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করা;

          ২। অপরাধ, বিশৃঙ্খলা এবং চোরাচালান দমনার্থে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা;

          ৩। কৃষি, বৃক্ষ রোপন, মৎস্য ও পশু পালন, স্বাস্থ্য, কুটির শিল্প, সেচ যোগাযোগ;

          ৪। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো;

          ৫। স্থানীয় পরিকল্পনা কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো;

          ৬। জনগণের সম্পত্তি যথা- রাসত্মা, ব্রীজ, কালভার্ট, বাধ, খাল, টেলিফোন, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সংরক্ষণ করা;

৭। ইউনিয়ন পর্যায়ে অন্যান্য সংস্থার উন্নয় কার্যাবলী পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এ বিষয়ে সুপারিশ করা;

৮। স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ প্রদান করা;

৯। জন্ম-মৃত্যু, অন্ধ, ভিক্ষুক ও দুঃস্থদের নিবন্ধন করা;

১০। সব ধরনের শুমারী পরিচালনা করা।

ঐচ্ছিক কার্যাবলীঃ

          ইউনিয়ন পরিষদ (স্থানীয় সরকার) অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর প্রথম তপসিলের প্রথম খন্ডে ঐচ্ছিক কার্যাবলী উল্লেখ করা হয়েছে। বিধি বা সময় সময় সকারের নির্দেশ অনুযায়ী এবং আর্থিক সংগতি অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করতে পারে। ঐচ্ছিক কার্যাবলী হচ্ছেঃ

জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ;

সরকারী স্থান, উন্মুক্ত জায়গা, উদ্যান ও খেলার মাঠ-এর ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ;

জনপথ, রাজপথ ও সরকারী স্থানে আলো জ্বালানো;

সাধারণভাবে গাছ লাগানো ও সংরক্ষণ এবং বিশেষভাবে জনপথ, রাজপথ ও সরকারী জায়গায় গাছ লাগানো ও সংরক্ষণ;

কবরস্থান, শ্মশান ঘাট, জনসাধারণের সভার স্থান ও জনসাধারণের অন্যান্য সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা;

পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা ও তা সংরক্ষণ;

জনপথ, রাজপথ এবং সরকারী স্থান নিয়ন্ত্রণ ও অনধিকার প্রবেশ রোধকরণ;

ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতার জন্য নদী, বন ইত্যাদির তত্ত্বাবধান, স্বাস্থ্যকর ব্যবস্থার উৎকর্ষ সাধন এবং অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ;

গোবর ও রাস্তার আবর্জনা সংগ্রহ, অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ;

অপরাধমূলক ও বিপদজ্জনক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকরণ;

মৃত পশুর দেহ অপসারণ ও নিয়ন্ত্রণকরণ;

পশু জবাই নিয়ন্ত্রণকরণ;

ইউনিয়নে দালান নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ নিয়ন্ত্রণকরণ;

বিপদজ্জনক দালান ও সৌধ নিয়ন্ত্রণকরণ;

কূয়া, পানি তোলার কল, জলাধার, পুকুর এবং পানি সরবরাহের অন্যান্য কাজের ব্যবস্থাকরণ ও সংরক্ষণ;

খাবার পানির উৎস দূষিতকরণ রোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ;

জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ;

খাবার পানির জন্য সংরক্ষিত কূপ, পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানে বা নিকটবর্তী স্থানে গোসল, কাপড় কাঁচা  বা পশুর গোসল নিষিদ্ধকরণ বা নিয়ন্ত্রকরণ;

পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানে বা নিকটবর্তী স্থানে শন, পাট বা অন্যান্য গাছ ভিজানো নিষিদ্ধকরণ;

আবাসিক এলাকার মধ্যে চামড়া রং করা বা পাকা করা নিষিদ্ধকরণ বা নিয়ন্ত্রণ করণ;

আবাসিক এলকার মাটি খনন করে পাথর বা অন্যান্য বস্ত্ত উত্তোলন নিষিদ্ধকরণ;

আবাসিক এলাকার ইট, মাটির পাতও বা অন্যান্য ভাটি নির্মাণ নিষিদ্ধকরণ বা নিয়ন্ত্রণকরণ;

গৃহ পালিত পশু বা অন্যান্য পশু বিক্রয়ের তালিকাভুক্তকরণ;

মেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন;

জনসাধারণের উৎসব পালন;

অগ্নি, বন্যা, শিলাবৃষ্টিসহ ঝড়, ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগের তৎপরতার ব্যবস্থাকরণ;

বিধবা, এতিম ও দুঃস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ;

খেলাধুলার উন্নতি সাধন;

শিল্প ও সামাজিক উন্নয়ন, সমবায় আন্দোলন ও গ্রামীণ শিল্পের উন্নয়ন সাধন ও উৎসাহ দান;

বাড়তি খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ;

পরিবেশ ব্যবস্থাপনার কাজ;

গবাদি পশুর খোয়াড় নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনাবেক্ষণের ব্যবস্থাকরণ;

প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ;

গ্রন্থাগার ও পাঠাগারের ব্যস্থাকরণ;

ইউনিয়ন পরিষদের মত সদৃশ্য কাজে নিয়োজিত অন্যান্য সংস্থার সাথে সহযোগিতা;

জেলা প্রশাসকের নির্দেমক্রমে শিক্ষার উন্নয়নে সাহায্যকরণ;

ইউনিয়নের বাসিন্দা বা পরিদর্শনকারীদের নিরাপত্তা, আরাম আয়েস বা সুযোগ-সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদের উপর ন্যসত্ম পৌর ও উন্নয়ন কার্যাবলীর আওতায় সামাজিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ দায়িত্বগুলো চার ভাগে বিভক্ত যথাঃ

(ক) যোগাযোগ;

(খ) শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ;

(গ) পানীয় জল সরবরাহ;

(ঘ) সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter